সদস্য, সঞ্চয়, DPS, FDR, শেয়ার, লোন আর আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট — সমবায় সমিতির পুরো হিসাব এক অ্যাপে, বাংলায়। খাতার ঝামেলা ছাড়াই স্বচ্ছ হিসাব।
আয়-ব্যয়, লেজার ও ব্যালেন্স — নির্ভুল
এনক্রিপ্টেড ক্লাউড ব্যাকআপ
জমা, কিস্তি ও রিমাইন্ডার SMS-এ
যেকোনো সময় সাহায্য পাবেন
সদস্য বেছে এক ট্যাপে সঞ্চয় এন্ট্রি; ব্যালেন্স স্বয়ংক্রিয় হিসাব।
লোন বিতরণ, কিস্তি আদায় ও বকেয়া — সব হিসাব এক জায়গায়।
আয়-ব্যয়ের ধারা, লাভ-ক্ষতি — রঙিন চার্ট ও PDF রিপোর্টে।
এনক্রিপ্টেড ক্লাউডে নিরাপদ — যেকোনো ডিভাইসে একই হিসাব।
সদস্য থেকে রিপোর্ট — সমবায় সমিতি ও সঞ্চয় দলের পরিচালকদের জন্য তৈরি প্রতিটি ফিচার।
সদস্যের প্রোফাইল, ছবি ও তথ্য — সব এক জায়গায়।
সদস্যের সঞ্চয় এন্ট্রি এক ট্যাপে; ব্যালেন্স অটো হিসাব।
মেয়াদি সঞ্চয়, স্থায়ী আমানত ও শেয়ারের হিসাব।
লোন বিতরণ, কিস্তি আদায় ও বকেয়া ট্র্যাকিং।
আয়-ব্যয়, লেজার ও ব্যালেন্স — নির্ভুল হিসাব।
আয়-ব্যয়, লাভ — চার্ট ও PDF রিপোর্টে।
প্রতিদিনের সঞ্চয় জমা, লোনের কিস্তি, মাসিক আয়-ব্যয় — সব এক ড্যাশবোর্ডে। হিসাব রাখা এখন অনেক সহজ।
পুরো অ্যাপ ডিজাইন করা হয়েছে সহজ ব্যবহারের জন্য — যেকোনো স্ক্রিনে ট্যাপ করে বড় করে দেখুন।
সঞ্চয় জমা, লোনের কিস্তি বা DPS — এন্ট্রি দিলেই সদস্যের কাছে SMS যেতে পারে। আর মাস শেষে আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট পান PDF-এ।
জমা-উত্তোলনের নিশ্চিতকরণ সদস্যের মোবাইলে।
লোনের কিস্তি বা বকেয়ার কথা SMS-এ মনে করিয়ে দিন।
আয়-ব্যয়, লেজার ও ব্যালেন্স — ডাউনলোড ও শেয়ার করুন।
ভুল হিসাব, কিস্তির বকেয়া, সদস্যের অনাস্থা — সমিতি পরিচালনায় যেসব সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়, সমিতি কিপার লাইট কীভাবে সমাধান দেয়।
খাতায় হাতে যোগ-বিয়োগ — মাস শেষে সদস্যের জমা আর ক্যাশ মিলত না, গরমিল থেকে যেত।
প্রতিটি জমা-উত্তোলন অ্যাপে এন্ট্রি হয়, ব্যালেন্স স্বয়ংক্রিয় হিসাব — কোনো ম্যানুয়াল যোগ-বিয়োগ নেই।
কোন সদস্যের কত কিস্তি বাকি — মনে রাখা যেত না, আদায় পিছিয়ে যেত।
বকেয়া সদস্য অ্যাপে লাল দেখায়, SMS রিমাইন্ডার সময়মতো চলে যায়।
সদস্য জানতে চান তাঁর জমা কত — খাতা দেখিয়ে প্রমাণ দেওয়া কঠিন, অনাস্থা তৈরি হতো।
প্রতিটি লেনদেনে সদস্যের ফোনে SMS নিশ্চিতকরণ, সাথে ডিজিটাল রসিদ।
সাধারণ সঞ্চয়, DPS, FDR ও শেয়ারের আলাদা আলাদা খাতা — মাস শেষে মেলাতে গিয়ে সব গুলিয়ে যেত।
সব স্কিম এক অ্যাপে, সদস্য ধরে ধরে — প্রতিটির ব্যালেন্স আলাদা দেখা যায়।
কোন এলাকায় কার কাছে কত আদায় বাকি — আদায়কারীর কাছে পরিষ্কার তালিকা থাকত না।
এরিয়া-ভিত্তিক কালেকশন লিস্ট — আদায়কারী এলাকা ধরে ধরে আদায় করেন, এন্ট্রি তখনই অ্যাপে।
মাস শেষে আয়-ব্যয় আর ব্যালেন্স মেলাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা — তবু ভুল থেকে যেত।
ডাবল-এন্ট্রি লেজার ও ব্যালেন্স শীট স্বয়ংক্রিয় তৈরি হয়, PDF রিপোর্ট এক ক্লিকে।
আদায়ের সময় ইন্টারনেট থাকে না — এন্ট্রি পরে দিতে গিয়ে ভুল ও বাদ পড়ে যেত।
অফলাইন মোবাইল অ্যাপ — নেট ছাড়াই এন্ট্রি, সংযোগ ফিরলেই স্বয়ংক্রিয় সিঙ্ক।
খাতা ভিজে গেলে, ছিঁড়ে গেলে বা হারালে — বছরের হিসাব উদ্ধারের কোনো উপায় থাকত না।
এনক্রিপ্টেড ক্লাউড ব্যাকআপ — নতুন ফোনে লগইন করলেই সব হিসাব ফিরে আসে।
মোবাইল নম্বর ও OTP দিয়ে কয়েক সেকেন্ডে।
সমিতির সদস্যদের নাম ও তথ্য দিন।
সঞ্চয় জমা নিন, লোন দিন, রিপোর্ট দেখুন — সব এক জায়গায়।
বিকাশ পেমেন্ট, SMS নোটিফিকেশন, PDF রিপোর্ট, ক্লাউড ব্যাকআপ — সব এক প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত। সঞ্চয়, DPS, FDR, শেয়ার ও লোন — সমিতির সব হিসাব এক ড্যাশবোর্ডে।
ফিচার দেখুনখাতার ভুল হিসাব থেকে কিস্তির বকেয়া — সমিতি পরিচালনায় প্রতিদিন যেসব সমস্যা দেখা যায়, অ্যাপ কীভাবে সেগুলোর সমাধান দেয়।
সমস্যা: খাতায় সঞ্চয়ের হিসাব — যোগে ভুল, পাতা হারায়। সমাধান: প্রতিটি জমা-উত্তোলন অ্যাপে এন্ট্রি, ব্যালেন্স অটো হিসাব।
সমস্যা: কে কত কিস্তি দিয়েছে, কত বাকি — মনে রাখা যায় না। সমাধান: লোন প্রোফাইলে কিস্তি ও বকেয়া এক নজরে।
সমস্যা: সদস্য জানতে চান তাঁর জমা কত — প্রমাণ দেখানো কঠিন। সমাধান: প্রতিটি লেনদেনে SMS নিশ্চিতকরণ, হিসাব স্বচ্ছ।
সমস্যা: সঞ্চয়, DPS, FDR — তিনটা আলাদা খাতা মেলানো ঝামেলা। সমাধান: সব ধরনের আমানত এক অ্যাপে, সদস্য ধরে ধরে।
সমস্যা: আয়-ব্যয় মিলাতে কমিটির মিটিংয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সমাধান: ডাবল-এন্ট্রি হিসাব ও PDF রিপোর্ট — এক ক্লিকে।
সমস্যা: হাতে লেখা রসিদ — হারায়, নকল হয়। সমাধান: অ্যাপ থেকেই ডিজিটাল রসিদ তৈরি ও শেয়ার।
সমস্যা: সদস্যের নাম, ফোন, নমিনি — বিভিন্ন খাতায়। সমাধান: প্রতিটি সদস্যের প্রোফাইল ও তথ্য এক জায়গায়।
সমস্যা: কিস্তির দিন সদস্য ভুলে যান, আদায় পিছিয়ে যায়। সমাধান: SMS রিমাইন্ডার — সময়মতো মনে করিয়ে দেওয়া।
সমস্যা: খাতা ভিজে গেলে বা হারালে হিসাব উদ্ধারের উপায় নেই। সমাধান: এনক্রিপ্টেড ক্লাউড ব্যাকআপ — নতুন ফোনে লগইন করলেই সব ফিরে আসে।
সমস্যা: কোন সদস্যের কত শেয়ার — বছর শেষে হিসাব জট পাকায়। সমাধান: শেয়ারের হিসাব সদস্য ধরে ধরে অ্যাপে।
সমস্যা: হিসাবরক্ষক বদলালে আগের হিসাব বোঝা কঠিন। সমাধান: সব লেনদেনের ইতিহাস অ্যাপে — যে-ই দায়িত্ব নিন, হিসাব পরিষ্কার।
সমস্যা: সফটওয়্যারের বিল দিতে ব্যাংকে দৌড়াতে হয়। সমাধান: বিকাশ দিয়েই পরিশোধ — ঘরে বসে।
মাউস রাখলে থেমে যাবে • 12টি উদাহরণ
শুরু করার আগে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা প্রশ্নগুলো — সংক্ষেপে ও স্পষ্টভাবে।
মোবাইল নম্বর দিয়ে OTP ভেরিফাই করে ২–৩ মিনিটেই অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়। সমিতির নাম ও সদস্য যোগ করে সেই দিন থেকেই সঞ্চয় এন্ট্রি শুরু করতে পারবেন।
প্রতিটি সদস্যের আলাদা প্রোফাইল থাকে। জমা বা উত্তোলন এন্ট্রি দিলেই ব্যালেন্স স্বয়ংক্রিয় আপডেট হয় — কে কত জমা দিয়েছেন, কবে তুলেছেন, সব ইতিহাস এক জায়গায় দেখা যায়।
সদস্যকে লোন দিলে অ্যাপে লোনের পরিমাণ ও কিস্তির হিসাব তৈরি হয়। প্রতিটি কিস্তি আদায়ের এন্ট্রি দিলে বকেয়া অটো হিসাব হয় — কার কত কিস্তি বাকি, এক নজরেই বোঝা যায়।
হ্যাঁ। সাধারণ সঞ্চয়ের পাশাপাশি DPS (মেয়াদি সঞ্চয়), FDR (স্থায়ী আমানত) ও শেয়ারের হিসাব আলাদা করে রাখা যায় — সদস্য ধরে ধরে, এক অ্যাকাউন্টেই।
লেনদেনের SMS নোটিফিকেশন চালু করলে জমা-উত্তোলনের খবর সদস্যের মোবাইলে চলে যায়। এতে হিসাব স্বচ্ছ থাকে, সদস্যের আস্থাও বাড়ে।
হ্যাঁ, বিকাশে পরিশোধ করা যায়। ইনভয়েস অ্যাপেই পাবেন।
না। সব ডেটা এনক্রিপ্টেড ক্লাউডে ব্যাকআপ থাকে। নতুন ফোনে লগইন করলে আগের সব তথ্য ফিরে পাবেন। চাইলে PDF রিপোর্টও ডাউনলোড করে রাখতে পারেন।
আপনার সমিতির হিসাব শুধু আপনার অ্যাকাউন্টেই — অন্য কোনো সমিতি বা ব্যবহারকারী তা দেখতে পান না। ডেটা এনক্রিপ্টেড অবস্থায় সংরক্ষিত হয়।
হ্যাঁ। প্রতিটি লেনদেন ডাবল-এন্ট্রি পদ্ধতিতে লেজারে যায় — তাই আয়-ব্যয়, ব্যালেন্স ও রিপোর্ট সবসময় মিলে যায়। হিসাবরক্ষার আলাদা প্রশিক্ষণ লাগে না।